Categories
অভিজ্ঞতা যাপিত জীবন

পরকালীন যাত্রা ও কিছু উপলব্ধি



কিছুদিন আগে আমার ছোট জ্যাঠামিয়া পরকালের পথে যাত্রা করেছেন। সন্ধ্যায় জেঠিআম্মার সাথে যখন ফোনে কথা হচ্ছিল তিনি স্মৃতিচারণ করে কাঁদছিলেন। বেশ মন খারাপ করছিল। আমরা সবাই একদিন এভাবে পরপারের দিকে যাত্রা করবো। চিরন্তন, কিন্তু সহজ একটি সত্য। যারা চলে গেছে, কেমন আছে তারা? তাদের নিজস্ব আমল তো বন্ধ। বংশধারার দোয়ার মাধ্যমে তাদের কবর কি আলোকিত হচ্ছে??

আমার ছোট জ্যাঠামিয়া বেশ সুদর্শন একজন মানুষ ছিলেন। মুরুব্বি মানুষ হিসেবে হয়তো খুব কাছাকাছি কখনো যাইনি, কিন্তু শ্রদ্ধা ও সম্মানের সম্পর্ক বেশ ছিল।
গত বছর অক্টোবর মাসে আমার মেজো ফুপু মারা গিয়েছিলেন। চট্টগ্রাম শহরে রক্ত সম্পর্কের এই একজন ফুপুই ছিলেন। সেই হিসেবে মেজো ফুপুর সাথে ও আমার বেশ আন্তরিক ভালোবাসার একটা সম্পর্ক ছিল।

তিন বছর আগে আমার নানা ভাইয়া মারা গেছেন। খুব সহজ-সরল ভালো মানুষ ছিলেন। বংশের বড় নাতনি হিসেবে যত ধরনের আদর, ভালবাসা পাওয়া সম্ভব সবকিছু তার কাছ থেকে পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ।

এর আগে মারা গেলেন আমার বড় জ্যাঠামিয়া, তার ও আগে জেঠিআম্মা। অনেকদিন পর পর দেখা হতো। সম্মান করতাম বেশ, আব্বু দের সবাআআর বড় ভাই-ভাবী।

তার আগে মারা গেল আমার বড় ফুপা এবং ফুপু। বড় ফুপু আমাকে অসম্ভব আদর করতেন, ভালোবাসতেন। গ্রাম থেকে আসলে তিনি বরই এবং টমেটোর আমসত্ত্ব নিয়ে আসতে কখনোই ভুলতেন না। তার কাছে থেকে কত যে পান খেয়েছি, ঠোঁট লাল করেছি।

মেজ খালু মারা গেছেন খালাতো ভাইকে অনেক ছোট রেখে। চট্টগ্রামের চাকরির সুবাদে দু’এক শুক্রবার পরপরই তিনি বাসায় আসতেন। আদর করতে বেশ।

আমার তিতু কাকা মারা গেছে অনেক আগে, তখন আমি নাইনে পড়ি। এত কষ্ট পেয়ে মারা গেছেন, মনে পড়লে আজও খারাপ লাগে। আমাদের শৈশব জুড়ে কাকা অনেক দিন কাছে ছিলেন।

আপনজনদের মধ্যে একদম প্রথম মৃত্যু ছিল মেজ জ্যাঠামিয়ার।সবাই মালানা সাব বলতো (মাওলানা সাহেব)। তখন আমি দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ি। মনে পড়ে গ্রাম থেকে আসার সময় তিনি সব সময় অনেক কিছু আনতেন, পাশাপাশি চিপস নিয়ে আসতেন আমার আর ভাইয়ার জন্য। মনে হতো বস্তা ভরা ভালোবাসা আসতো গ্রাম থেকে।

দাদা ভাই মারা গেছে আমার জন্মের আগে। আমি হওয়ার পাঁচ দিন পরে দাদু মারা গেছেন। তাদের সম্পর্কে শুধু শুনেছি , দেখিনি কখনো। তবুও রক্তের টানে তাদের অনেক অনুভব করি। এছাড়া অদেখা মামা, খালাদের ও অনেক মনে করি, যারা অনেক ছোটবেলায় মারা গিয়েছেন। আর মনে পড়ে আব্বু আম্মুর প্রথম সন্তান, আমার অদেখা বড় ভাইয়ের কথা। তাদের গল্প আম্মুর কাছে কেবল শুনতাম।

দিন শেষে এদের প্রত্যেকের জন্য মনের টান, মায়া অনুভব করি। রোজার মাসে আমার প্রত্যেক মৃত স্বজনদের জন্য প্রাণভরে দোয়া করি যাতে আল্লাহ তাদের কোন ধরনের কবরের আজাব না দেন, তাদের মাফ করেন, তাদের জান্নাত নসিব করেন, তাদের কবরকে আলোকিত করে দেন , তাদের কবর যেন প্রশস্ত করে দেন।

তারা এখন দুনিয়াতে নেই। রেখে গেছেন তাদের সন্তান সন্ততি, বংশধারা। আমাদের অগ্রজদের জন্য আমরা সবসময় দোয়া করে যাব, তাদের আমলনামা যাতে কখনো বন্ধ না হয়ে যায়। তাদের কবর যেন সবসময় আমলনামায় সচল থাকে।

অন্ধকার বড় ভয় পাই। একদিন আমাকেও এই অন্ধকার কবরে যেতে হবে, মনে হলেই হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসে। একটা তেলাপোকা দেখলেই চিৎকার করে উঠি। সেখানে কবরে নামা মাত্র পোকামাকড়ের খাদ্যে পরিণত হবো!!!!

আমার মৃত্যুর পর আমার আত্মীয়, সন্তানেরা আমার আযাব মাফের দোয়া কি করবে??জানি না সাদকায়ে জারিয়া রেখে যেতে পারবো কিনা!!! তবে প্রাণ ভরে দোয়া করলাম, আমার পূর্ববর্তী সহ সকল নেককার ঈমানদারদের জন্য। আল্লাহ সবাইকে কবুল করুন। আমাদের হেদায়েত দান করুন। আমিন।

Categories
অভিজ্ঞতা

একটি বিবাহ সমাচার
(ছোট গল্প)


ইরা এবং নিও আজ পরিণয় সুত্রে আবদ্ধ হতে যাচ্ছে। খুবই অনাড়ম্বর ভাবে কাছের কিছু আত্মীয় এবং বন্ধু বান্ধবকে নিয়ে একটি রেস্টুরেন্ট এ আকদ হবে তাদের।

বিয়ে নিয়ে ইরা খুব বেশি চিন্তিত নয়। সে তো সিনেমাতে দেখেছে কিভাবে বিয়ে হয়!!! মামা খালাদের ও বিয়ে দেখেছে। তাই তার কাছে বিষয়টা it’s not a big deal… type

নিও অবশ্য আগামীর কথা ভেবে চিন্তিত ও পুলকিত দুটাই বোধ করছে। ☺️☺️

যাই হোক কিছু আনুষ্ঠানিকতা শেষে কবুল পড়ানোর সময় এলো। ইরা সারা জীবন দেখে এসেছে, অমুকের ছেলের সাথে তমুকের মেয়ের এত লক্ষ টাকা দেনমোহর এ বিবাহ ধায্য করা হয়েছে। কাজি কনেকে বলছে, বল মা, কবুল!! কনে অনেক সময় নিয়ে খুব আস্তে করে বলে, কবুল।

ইরার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা কিছুটা অন্য রকম ছিল। সে তার মামা এবং দুজন বান্ধবি নাস ও জাকু সহ বসে আছে। কাজি সাহেব ইরাকে বল্ল, অমুকের ছেলে তমুকের মেয়েকে এত টাকা দেনমহর দিয়ে বিয়ে করছে। এজন্য আপনার অনুমতি চাইছি।😳

ইরা কি জবাব দিবে, বুঝতে পারছে না। 🤔 সে তার মামার কাছে জানতে চাইল, মামা কি বলব?
মামা বললেন, ‘বল, অনুমতি দিলাম।

সে কাজি কে তাই বলল, অনুমতি দিলাম।👀 অতঃপর কাজি সাহেব বরের কাছে চলে গেল।
ইরা অপেক্ষা করে বসে আছে আর ভাবছে, কাজি তো আমার কাছ থেকে বিয়ের অনুমতি নিয়ে বরের কাছে গেল, কবুল পড়ানোর জন্য এখনো কেনো আসছে না!! 🙄

ওমা একটু পর ইরা দেখে, সবাই মোনাজাত ধরেছে!!! সে তো কিছুই বুঝতে না পেরে আশেপাশে দেখছে, ঘটনা কি তা জিজ্ঞাসা করার জন্য।🤭

কিন্তু সবাই তখন মোনাজাত করছে। শেষে তার বান্ধবী গন তাকে নিয়ে হাসাহাসি শুরু করল। ইরা কাদেনি, দেরি করে কবুল বলেনি….. ইরা তো বিয়ের জন্য পাগল!!!😳😳

বেশ খানিকক্ষণ পর ইরা বুঝতে পারল, সিনেমার মতো, বল কবুল…. এভাবে তার বিয়েটা হয়নি….কিছু বোঝার আগেই সে বিবাহিত হয়ে গেল। 🥳🥳🥳

তারপর ইরা আর নিও সুখে ঘরকন্না করতে লাগল। 🥰🥰🥰

Categories
অভিজ্ঞতা

খেলনা ও বাচ্চারা

আমি বানিয়েছি



বাচ্চারা খেলনা দিয়ে খেলতে খুব পছন্দ করে। তবে কোন খেলনা দিয়ে তারা বেশিক্ষণ খেলতে পারে না । নতুন খেলনা পেলে অল্প কিছু সময় বা দু’চার দিন সেটার আকর্ষণ থাকে।তারপর সেটা নষ্ট করে ফেলে অথবা অবহেলায় পড়ে থাকে। কিন্তু তবুও তারা নতুন নতুন খেলনা পেতে অনেক পছন্দ করে।

আমাদের ছোটবেলায় যখন কেউ বেড়াতে আসত ভাবতাম এই বুঝি খেলনা নিয়ে এলো। হতাশ হয়ে দেখতাম খাবারের জিনিসপত্র এনেছে অথবা জামা কাপড়। একটা পুতুলের বেশ সখ ছিল। কিন্তু সেটা আম্মু ও কিনে দেয়নি, আবার অন্য কাউকে কিনে দিতে নিষেধ করতো। লন্ডন থেকে মিজান ভাইয়া একবার একটা পাপি ডল দিয়েছিল। সাদা একটা কুকুরের বাচ্চা, গায়ে কালো কালো ডট। কি ভীষণ পছন্দের ছিল। কিন্তু একটা পুতুল খুব আশা করতাম।😔

দেশের বাইরে থাকা আত্মীয়রা যখন টি এন্ড টি ফোনে জিজ্ঞাসা করতো, কি লাগবে। কখনোই কিছু বলতে পারতাম না। কারণ আম্মু কটমট করে তাকিয়ে থাকত। কারো কাছে কিছু চাওয়া যাবে না।

একবার পর্তুগাল থেকে জাকির ভাইয়া জিজ্ঞাসা করছিল, কি লাগবে বল। আম্মু পারলে ঝাঁটা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কিছু চাইলে খবর আছে। পরে অনবরত জিজ্ঞাসার ফলে বলেছিলাম ক্যালকুলেটর লাগবে। 🙄

তবে আমার জানপ্রাণের বন্ধু নাস Nasreen Sultana আমার এই ফেসিনেশন টের পেয়ে বুড়াকালে একটা টেডি বিয়ার গিফট করেছিল। হল লাইফের একা বিছানার সংগী। এটা আজও যত্ন করে রাখা আছে। বাচ্চারা সহ আমি ও মাঝে সাঝে খেলি।

দেশের বাইরে যে সব আত্মীয়-স্বজন থাকতো তারা বিভিন্ন সময়ে এটা-সেটা উপহার দিত। তবে কখনোই সেগুলো খেলনা ছিল না। একবার এক আত্মীয় তার শ্বশুরবাড়ির এক বাচ্চার জন্য খেলনা এনেছিল। খেলনাটা এনে আমাদের বাসার সোফার নিচে লুকিয়ে রেখেছিল। কেননা আমার ছোট ভাইটি গাড়ি খেলনা দেখে সে নিতে চাইছিল। সে খুব অস্থির হয়ে খেলনাটা খুজছিল, কিন্তু পাচ্ছিল না। মন খারাপ হয়েছিল তখন। আমাদের বাসায় ও দুটি বাচ্চা (আমার ছোট দুই ভাই বোন) ছিল সেটা সেই আত্মীয়র মনে ছিল না হয়তো।

আমি আর আমার ভাইয়া বিদেশি খেলনা খুব একটা পাইনি। কিন্তু আমার ছোট ভাই বোন অল্পস্বল্প পেয়েছিল মামা-খালু বদৌলতে।(আমাদের সময়ে বিদেশি খেলনার আবেদন অন্যরকম ছিল।) আমরা তাই কাপড় দিয়ে পুতুলের সংসার বানিয়ে আরাম করে খেলতাম। 🥰🥰


মজার বিষয় হলো বাচ্চাদের ছোটবেলায় যে বা যারা যা কিছু দেয় সেটা তারা অল্পস্বল্প হলেও মনে রাখে। আমরা এভাবেই শিখেছি, আমাকে ওমুক তমুক আত্মীয় মনে করে একটা উপহার দিয়েছে।আমরা বুঝে নিয়েছি যে তারা আমাদের ভালোবাসে, তারা দূরে থাকলেও আমাদের কথা মনে করে। ❤️❤️❤️

আমার বাচ্চাদের বড় মামা ও তাদের অনেক খেলনা দিয়েছে। কার্টুন ভর্তি করে খেলনা পাঠিয়েছে বাচ্চাদের জন্য । আর যখন দেশে আসে তখন তো সাথে করেই নিয়ে আসে। এক সাথে বেশি পেলে একসাথে নষ্ট করবে। তাই বেশ কিছু দিন পর পর এক একটি দেয়া হোত। নাওঈদ খেলনা পেলে খুব মনোযোগ দিয়ে ভেঙে চুরমার করে। তাই রিমোট গাড়ি টাইপ খেলনা তার জন্য নিষিদ্ধ ।
তাদেরকেও বারবার বোঝানো হয়েছে কারো কাছে কোন খেলনা , কোনো জিনিস খোঁজা যাবে না। শুধুমাত্র আল্লাহ এবং মা-বাবার কাছে জিনিসপত্র চাওয়া যায়।

তাদের বড় মামা জিজ্ঞাসা করে কি লাগবে তোমাদের? নায়রাহ বলে কিছু লাগবেনা, আমার সব আছে।🥰🥰🥰

নাওঈদ বলে, মামা আমার কিছু লাগবেনা।তবে আমার কেডস টা ছোট হয়ে গেছে এবং আমার গাড়িটা এখন আর চলে না। 😄😄

বাচ্চারা অনেক কিছু চায় , তবে চাওয়ামাত্রই ওদেরকে সবকিছু দেওয়াটা উচিত না। ওদের চাওয়া-পাওয়া তখন অনেক বেশি হয়ে যাবে।তাই চেষ্টা করি একটা মাত্রা বজায় রেখে বাচ্চাদের আবদার পূরণ করতে।

এখন নানা রকমের , নানা ধরনের, নানা বর্ণের অনেক খেলনা পাওয়া যায়। মাঝে মাঝে খেলনা গুলো বেশ আকর্ষণীয় মনে হয় । যতটা না বাচ্চাদের সেগুলো লাগে, আমার মনে হয় মায়েদের এ ধরনের খেলনা গুলো আরো বেশি লাগে। 🤭🤭

বাচ্চারা বেশি দামি কম দামি খেলনার পার্থক্য বুঝতে পারেনা। 1 to 99 থেকে এক প্যাকেট খেলনা কিনলে অনায়াসে দু চার মাস সেগুলো ব্যবহার করতে পারবে তারা।

তাই বাচ্চাদের খুশি রাখতে তাদেরকে খেলনা দিন , তাদের সাথে খেলনা দিয়ে খেলুন । তাদের সাথে নিজেরাও খেলে এই আনন্দের অংশীদার হোন। 🙂

হ্যাপী প্যারেন্টিং ।

(ঘরে বানানো প্লে ডো। বাজার থেকে কিনে ব্যবহার করার সময় বাচ্চারা আরাম পায় নি। নষ্ট করে ফেলেছিল দ্রুত। এখন অনায়াসে তারা সেগুলো দিয়ে বিভিন্ন জিনিস পত্র বানাচ্ছে, আনন্দ করছে। আপাতত সপ্তাহ-দশ দিন তারা এই প্লে ডো নিয়ে ব্যস্ত থাকবে।)

নাওঈদ বানিয়েছে
নায়রাহ বানিয়েছে
Categories
অভিজ্ঞতা

বৃদ্ধ অবস্থা বনাম আমরা

গতকাল খবরে দেখলাম, মালিবাগে একটা কাজের মহিলার ও বৃদ্ধার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সত্তরোর্ধ একজন বৃদ্ধা মহিলাকে প্রচন্ড ভাবে পিটিয়ে মোবাইল, টিভি, গহনা ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। বৃদ্ধার ছেলে, ছেলের বউ , মেয়ে সবাই অফিসে। কাজের মেয়েটার সাথে বৃদ্ধা একা বাসায় ছিল।

মহিলাটি বেশ অসুস্থ ছিল , যার জন্য তাকে ধরে গোসল করানো বা আনুষঙ্গিক কাজ করানো লাগতো। তাই তার দেখাশোনার জন্য কাজের মেয়েটি রাখা হয়েছিল, যে তাদের পূর্ব পরিচিত এবং বছরখানেক ধরে কাজ করেছিল আগে। বৃদ্ধ মানুষটি ঐ কাজের মেয়েটির দ্বারা প্রচন্ডভাবে রক্তাক্ত, নির্যাতিত হয়েছে।

আমার শুধু মনে হচ্ছিল , সামনে কি আমাদের জন্য এমন একটা ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে? আমাদের বর্তমান প্রজন্মের বেশিরভাগেরই একটি বা দুটি করে সন্তান। তারা যখন বড় হবে, কর্মজীবনে প্রবেশ করবে, বৃদ্ধাবস্থায় তখন আমাদেরও তেমন একাকী থাকতে হবে।
ছেলের বউ ও আমরা কর্মজীবীই খুঁজবো। অথবা ছেলের বউ রা ছেলেকে নিয়ে আলাদা থাকবে দূরে বা প্রবাসে। আমরা বৃদ্ধ বয়সে একা থাকবো।

শারীরিক শক্তি থাকা অবস্থায় বৃদ্ধ মানুষরা মোটামুটি চলে ফিরে নিজের কাজ করতে পারে। কিন্তু যখনই অসুস্থতাজনিত কারণে বৃদ্ধাবস্থায় কেউ বিছানায় পড়ে যেতে বাধ্য হবে তখন তাদেরকে কে দেখবে কাজের মানুষ ছাড়া??

চোখ বন্ধ করে দিব্বি যেন নিজের ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি। যতদিন শরীরে শক্তি থাকে এবং টাকা উপার্জনের ক্ষমতা থাকে তখন অসুস্থ হলে কে দেখবে, এই চিন্তা করিনা। কোন ধরনের নেতিবাচক ভবিষ্যৎ চিন্তা মাথায় আনিনা।

কিন্তু আমাদের বৃদ্ধাবস্থা আসলে আমরা আসলেই কাছে থাকার মানুষ আপন মানুষ পাবো তো??
আল্লাহ আমার মা-বাবাকে সহ পরিবারের সকল মুরুব্বিদের সুস্থ রাখুক , ভাল রাখুক।

বর্তমানে আমার নানু অসুস্থ, হাসপাতালে আছেন। আজই তার অপারেশন হয়েছে। তার কাছে তার পাঁচ মেয়ে এবং পাঁচ জন ছেলে আছে। পালাক্রমে চার – ছয় জন করে নানুর কাছে থাকছে। কারো সংসার আছে , কারো কর্মক্ষেত্র আছে। কেউ চলে গেলে অন্য কেউ এসে জায়গাটা ফিল আপ করছে।

আমাদের ভবিষ্যতে আমরা আমাদের সন্তানদের কি পাব বৃদ্ধ অবস্থায় , অসুস্থ অবস্থায়? নাকি কাজের মানুষ বা বৃদ্ধাশ্রম আমাদের নিয়তি হয়ে দাঁড়াচ্ছে?? 😓😓😓

Categories
অভিজ্ঞতা

অদ্ভুত

৪ পিস ডিম রান্না করে ছোট পুত্রকে নিয়ে দুপুর বেলা বাহিরে কাজে গিয়েছিলাম। বাসায় ফিরে দেখি ডিমের কড়াই খালি। অবাক হলাম আর ভাবলাম তারা তিনজন মিলে হয়তো চার পিস খেয়েছে।
কিন্তু ভদ্রলোক আমাকে আরো অবাক করে বলল, তারা তিন পিস ই খেয়েছে। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ও কিছু বের করতে পারিনি!! এমন ঘটনা আগে ও ঘটেছে!!

এমন হলে আমি দোয়া দরুদ এর পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেই।

Categories
অভিজ্ঞতা যাপিত জীবন

কয়েক ছত্র

সাগরের পানিতে পা দু’খানি ভিজিয়ে করি মন শান্ত,
গোধূলি লগনে হাতে হাত রেখে ঘু্রি
নাই গ্লানি, নাই ক্লেশ, নাই যে সীমান্ত!!

Categories
অভিজ্ঞতা

আমার টুকটুকি বাচ্চা

গত রোজার সময় আল্লাহ রুহটা হঠাৎ করেই পাঠিয়ে দিলো আমার মধ্যে। ভাবলাম অনেক কিছু জানি, যেহেতু দু বাচ্চার মা। তাই ডাক্তারের কাছে ও গিয়েছি পুরো সময়ে খুব কম। যেখানে আগের দুই বার প্রতি মাসে চেকাপে যেতাম। মনে হোচ্ছিল অবহেলা করছি কিনা!!

সাথে সাথে প্রতিদিনকার অফিস তো আছেই। শরীর যেমন ই থাকুক, ছুটি নেইনি এক দিন ও। শেষ চেকাপে সি-সেক এর তারিখ দিয়েছিল ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯। ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত কলেজে গিয়েছিলাম, যেহেতু দ্বাদশ শ্রেণির দায়িত্বে ছিলাম। ২৯ তারিখ আম্মু ঢাকায় আসায় ৩০ তারিখ হাসপাতালে যাই। ডাক্তার ব্যস্ত থাকায় ৩০ তারিখ আর কিছু করেনি।

বাচ্চাদের বাবাকে বোঝাতে চেষ্টা করছিলাম যাতে আরো ২/৩ দিন দেরি করে ( ইডিডি আরো পরে ছিল)। জানুয়ারি ২ তারিখে আমার একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল, সেটা শেষ করে যাবো ভাবছিলাম। কিন্তু প্রচন্ড কাজের প্রেশারে টুকটুকি মুভ করা কমিয়ে দিয়েছিল। তাই আর দেরি না করে ৩১ডিসেম্বর সকাল ৯ টায় সে পৃথিবীতে চলে আসে। হাসপাতলে আমার সাথে আম্মু আর তাদের বাবা ছিল। ব্লাড দেয়ার জন্য প্রিয় সহকর্মী রুখসান ও ছিল।

নায়রাহ ও নাওঈদ তাদের নূপুর আন্টি ও সাহায্যকারী মেয়েটা র সাথে বাসায় ছিল। বিকালে বাসার সবাই মিলে নুবাঈদকে দেখতে এলো। সন্ধ্যায় ওরা ফিরে যাওয়ার সময় বাসার চাবি ভুলে রেখে চলে যায়। তাই তাদের বাবা দৌড়াতে দৌড়াতে আবার চাবি দিতে চলে গেল বাসায়।

এসময় হাসপাতালের বেডে আমি আধা শোয়া হয়ে স্যুপ খাচ্ছিলাম। নুবাঈদ পাশে আরেকটা বেডে শোয়া। রুমে একটা দুইটা মশা ঘুরছিল। ভুলে তার জন্য ছোট মশারিটা বাসা থেকে আনা হয় নাই। তাই পাতলা একটা ওড়না দিয়ে ওকে ঢেকে রাখা হয়েছিল খুব কায়দা করে যাতে করে ওর মুখের অংশটাতে ওড়না উঁচু হয়ে থাকে। আম্মু একটু পরপর চেক করে দেখতো ঠিক আছে কিনা। কিন্তু এদিকে বাচ্চাদের সাথে সন্ধ্যায় আম্মু বাসায় চলে গেল। চাবি ফেলে যাওয়াতে ওদের বাবা যখন পিছে পিছে যায়, তখন নুবাঈদের মুখে ওড়না দিয়ে যায়।

রুমে সেই মুহূর্তে আমি একা। হঠাৎ দেখি হাত নাড়াতে গিয়ে সে ওড়নাটা মুখের উপরে ফেলে দিয়েছে। বাচ্চাটা সমানে দুই হাত নাড়ছে, ছটফট করছে কিন্তু মুখ দিয়ে কোন শব্দ করছে না। আমি দেখতে পাচ্ছি সে নিঃশ্বাস নিতে পারছে না। তার নাকে মুখে ওড়না পড়ে আছে। আমি কোনভাবেই নিজেকে বিছানা থেকে এক চুলও নাড়াতে পারছি না; হাতে স্যালাইন, ক্যাথেটার লাগানো।
একটু আগের পেট কাটা প্রসূতি একজন মায়ের নড়াচড়া করার মত কোন অবস্থা নাই।

আশেপাশে কেউ নাই যে চিৎকার করে কাউকে ডাকবো। কেবিনের দরজা বন্ধ। তাদের বাবাকে ফোন দিলাম ,সে তখন হাসপাতাল থেকে অনেক দূরে। আমি সমানে চিৎকার করে কাঁদতে লাগলাম। মনে হলো একটু আগে মাত্র বাচ্চাটা পৃথিবীতে এলো আর এখনই বোধহয় চোখের সামনে মারা যাচ্ছে। গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে নার্সদেরকে ডাকছিলাম। কিন্তু কেবিনের বাইরে খুব বেশী আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল না। মরিয়া হয়ে তখন স্যুপ খাওয়ার চামচটা দিয়ে বেডের স্টিলের রেলিংটাতে জোরে জোরে বাড়ি দিচ্ছিলাম। আর চিৎকার করে রুম নাম্বার বলছিলাম যাতে করে আমার রুমে কেউ আসে। প্রায় ৭/৮ মিনিট চিৎকার করার পর নার্স এসেছিল। তারপর তার মুখের উপর থেকে কাপড়টা সরালো। মনে হচ্ছিল এ যাত্রা বোধহয় বাচ্চাটা শেষ হয়ে গেল , কারণ সে কোন শব্দ করছিল না।আর আমি কেঁদে বেহুঁশ হয়ে যাচ্ছিলাম।

জন্মের শুরুতে তাকে বেশ সংগ্রাম করতে হয়েছে। জীবনের বাকিটা সময় সে যেন খুব সহজ-সরল স্বাভাবিক ভাবে পার করতে পারে। আমার টুকটুকি বাচ্চাটা নেক হায়াত নিয়ে বেঁচে থাকুক আল্লাহর পছন্দের মুমিন বান্দা হিসেবে। তার বছর পূর্তিতে দোয়া এবং প্রাণ ভরা ভালোবাসা।

Categories
অভিজ্ঞতা

শীতের ছুটি ২০২০

শীতের ছুটি শুরু হয়ে গেছে। বন্দি কারাগারে থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে ভাবলাম বের হতে হবে। কোথাও বের হবো নাকি বাসাতেই থাকবো ডিসিশন নিতে নিতে দুই দিন চলে গেল।
যাই হোক আজ সকালে অনলাইনে দেখলাম সুবর্ণ ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। আজকের।  দশটায় টিকেট কাটলাম বিকেল সাড়ে চারটার।

কোনরকম গোছানো শেষ করে বাসা থেকে বের হতে তিনটা বেজে গেল। কলেজের গাড়ি ম্যানেজ করে গেটে যেতে যেতে আরো বেশ কিছু সময় চলে গেল। এরপর যখন রওনা করলাম, দেখি পুরো রাস্তায় জ্যাম।
পিলখানার ভিতরে থাকার কারণে ঢাকা শহরের জ্যাম আমাদের স্পর্শ করে না। কিন্তু যখন বের হই তখন জ্যামে প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে যায় । হিসাব এলোমেলো হয়ে যায়।ভাবলাম মোটামুটি সাড়ে চারটার আগে পৌঁছে যেতে পারব।
যখন ৪:১৭ বাজে তখন ও আমরা শাহবাগে। মনে হলো ট্রেন মিস করতে যাচ্ছি। ডিসিশন নিলাম এয়ারপোর্টে গিয়ে ট্রেন ধরব। কেননা ট্রেন বরাবর ৪:৩০ এই ছেড়েছে। আমরা কমলাপুর গিয়ে আর ধরতে পারবোনা।

এদিকে এয়ারপোর্ট স্টেশন যাওয়ার পথে দেখি রাস্তা মেরামতের কাজ চলছে। স্টেশনে ঢুকতে হলে কাছে এসেও অনেক পথ ঘুরে আসতে হয়।তখন ৫টা বাজে। ট্রেন প্লাটফর্মে চলে এসেছে।(৫ মিনিট থামে বিমানবন্দর স্টেশনে) ভাবছিলাম চোখের সামনে আমাদের রেখে ট্রেন চলে যেতে দেখব।
পুরো রাস্তায় আমি আর সে দোয়া পড়তে পড়তে আসছি। অবশেষে যখন স্টেশনে ঢুকলাম, কুলিরা দৌড়ে এসে মালপত্র নিয়ে টান দিল, আমাদেরকে দৌড়াতে সাহায্য করলো। আমরা দেখতে পাচ্ছি ট্রেন ছেড়ে দিল।

জান হাতে নিয়ে দৌড়াতে লাগলাম। পুরাই দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে ফিলিংস। শেষ দৃশ্যে নায়িকা যেমন দৌড়াচ্ছিল ট্রেন ধরার জন্য ঠিক তেমনি নুবাঈদকে কোলে নিয়ে আমি দৌড়াচ্ছিলাম, কুলিরা আমাদের ব্যাগ নিয়ে দৌড়াচ্ছে, নায়রাহ- নাওঈদকে  নিয়ে ওদের বাবা দৌড়াচ্ছিল। সেইরকম একটা দৃশ্য।

নিশ্চিত ছিলাম ট্রেন মিস করবো। মনে হচ্ছিল প্রেসার বেড়ে অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছি। যেকোন এক বগিতে লাফ দিয়ে উঠলাম। তারা আর এক বগিতে। মালপত্র ছানাপোনা সমেত একটু পর গার্ডেরা আমাদের এক জায়গায় করালো। কিন্তু আমাদের বগি আরো দূর। তাই খালি সিট দেখে এক জায়গায় বসে পড়লাম। সিটে বসে ধীর স্থির হতে আধাঘন্টা সময় লাগলো।
প্রায় নিশ্চিত ট্রেন মিস হওয়া থেকে আমরা এখন বগিতে। আলহামদুলিল্লাহ।
এডভেন্চার শুরু হলো। 

Categories
অভিজ্ঞতা

অঘটন

নায়রাহ নুবাঈদকে বেশ আদর করে। বড় বোন হিসেবে সব সময় কোলে নেয়ার চেষ্টা করে। ওর কোলে নুবাঈদকে দেয়ার ক্ষেত্রে আমরা খুব সতর্ক থাকি, যাতে করে সে কোলে নিয়ে বেশি দূর না যায় অথবা বিছানাতে বসে থাকে।
আজ সকালে বাচ্চারা তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে গেছে। আমার তখনও ঘুম কাটেনি। মাঝরাতে জেগে থাকা মা আমি। ঘুমে ঢুলছি নুবাঈদকে কোলে নিয়ে। এই সুযোগে নায়রাহ এসে ছোটজনকে কোলে নিয়ে ড্রয়িং রুমে চলে গেলো এবং তাকে সোফাতে বসিয়ে টিভি অন করতে গেল । ফলাফল সোফা থেকে পড়ে গেছে এবং কপালে একটা গোল আলু গজিয়েছে।

উপলব্ধি:
১. বাচ্চাদের কখনো একটু বড় বাচ্চাদের হাতে সুপারভিশন ছাড়া দিতে নাই । কেননা ওরা ও বেশ ছোট।
২. নুবাঈদের মাথায় সাথে সাথে ক্রমাগত পানি ঢালা হয়েছে, পানি পট্টি দেওয়া হয়েছে । আলহামদুলিল্লাহ, কপাল ফোলা খুব দ্রুত কমে গেছে। তবে বাচ্চাটা বেশ ব্যথা পেয়েছে । এবার সে প্রথমবার পড়ে গিয়ে এত ব্যথা পেলো!!
৩. এই মূহুর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করেছি নায়রাহকে পিট্টি না দিয়ে। কেননা পৌনে ছয় বছরের বাচ্চার এখনো সামর্থ্য হয়নি ছোট ভাইকে দেখার। তবে কান ধরিয়েছি, যাতে জোর করে আর নুবাঈদকে কোলে না নেয়। ( সেদিন তার মামার কোল থেকে নুবাঈদকে নিতে না পেরে রাগ করেছিল)
৪. বাচ্চাদের মায়েদের সব সময় সজাগ দৃষ্টি রাখতে হয়। একটু আরাম বেশি করা মানে অন্য দিকে কোন ঘটনা ঘটতে চলেছে!!

Categories
অভিজ্ঞতা

সলিড টিপস#৬


বাচ্চারা যখন সলিড শুরু করে তখন তাদের খাবারগুলো খুবই নরম হওয়া উচিত। খাবার যদি অল্প একটু দানা ভাব থাকে তাতেও তারা গিলতে পারে না , বমি করে দেয়। তাই অনেকেই সলিড শুরু করার সময় বাচ্চাদের খাবার গুলো ব্লেন্ড করে দেয়। এতে আবার বাচ্চাদের চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস টা কমে যায়। সে ক্ষেত্রে অনেক বাচ্চা তিন চার বছর ধরে চিবিয়ে খেতে চায় না, যদি ব্লেন্ড করা খাবারে অভ্যস্ত হয়ে যায়।
তাই বাচ্চাদেরকে সলিড শুরু করার সময় যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার বেশি পানি দিয়ে নরম করে সিদ্ধ করা হয় এবং ডাল ঘুটনি দিয়ে ভালো করে ঘুটে দেওয়া হয় তবে খাবার বেশ ভালই নরম হয়, দানা ভাব ও থাকে না। এই খাবার বাচ্চার গিলতে অসুবিধা হয় না । এছাড়া খাবার ব্লেন্ড করলে আরেকটা সমস্যা যেটা হয় ব্লেন্ডারে খাবারের পরিমাণ একটু বেশি করে দিতে হয়। নতুবা ব্লেন্ড করা যায় না। অথচ সলিড শুরু করা বাচ্চার খাবারের পরিমান খুব অল্প হয়। যদি প্রতিদিনের টা প্রতিদিন রান্না করা হয় সে ক্ষেত্রে দেখা যায় ব্লেন্ড করা খাবার বেশি পরিমাণে করতে হয় এবং দিনের টা খেয়ে বাকিটা আবার ফেলে দিতে হয়। অথবা দু’চার দিন বাসি করে খাওয়ানো লাগে । কিন্তু খাবার যদি ঘুটনি দিয়ে ছোট পাতিলে রান্না করা হয়, তাহলে খুব অল্প পরিমাণে প্রতিদিনের খাবার প্রতিদিন রান্না করা যায় । আর যেহেতু এই সময় বাচ্চাদের একটা বমির অভ্যাস তৈরি হয়, তাই খাবার খাওয়ানোর সময় খুব সাবধানে খাওয়ানো উচিত।
বাচ্চার যদি বমি প্রবণতা বেশি থাকে সেক্ষেত্রে খাবার দেয়া বন্ধ করা উচিত। প্রয়োজন হলে কিছুক্ষণ পরপর খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করা যায় ।
বাচ্চারা বেশকিছু কারণে বমি করতে পারে। একটা হল পেট ভরে গেছে, পেটে আর জায়গা নাই। আরেকটা হতে পারে গলায় মুরগির পাতলা হাড় অথবা মাছের কাঁটা আটকে গেছে। অথবা বাচ্চা খুব বিরক্ত খেতে চাইছে না। তাই জোর করলে বমি করবে।

সলিড শুরু করা বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারগুলা একটু খেয়াল করলে বাচ্চার মায়েদের কষ্ট একটু কম হতে পারে।